মজার গল্প, উপন্যাস, গোয়েন্দা কাহিনী, ছোট গল্প, শিক্ষামূলক ঘটনা, মজার মজার কৌতুক, অনুবাদ গল্প, বই রিভিউ, বই ডাউনলোড, দুঃসাহসিক অভিযান, অতিপ্রাকৃত ঘটনা, রুপকথা, মিনি গল্প, রহস্য গল্প, লোমহর্ষক গল্প, লোককাহিনী, উপকথা, স্মৃতিকথা, রম্য গল্প, জীবনের গল্প, শিকারের গল্প, ঐতিহাসিক গল্প, অনুপ্রেরণামূলক গল্প, কাহিনী সংক্ষেপ।

Total Pageviews

Monday, May 3, 2021

বাংলা অনুবাদ গল্প - হাউ আ মুঝিক ফেড টু অফিসিয়ালস- মিখাইল সালটিকভ শেদ্রিন - HOW A MUZHIK FED TWO OFFICIALS - Mikhail Y. Saltykov Shchedrin - Bangla Translation

HOW A MUZHIK FED TWO OFFICIALS, Mikhail Y. Saltykov Shchedrin,Bangla Translation,অনুবাদ গল্প,ছোট গল্প,
বাংলা অনুবাদ গল্প - হাউ আ মুঝিক ফেড টু অফিসিয়ালস- মিখাইল সালটিকভ শেদ্রিন - HOW A MUZHIK FED TWO OFFICIALS - Mikhail Y. Saltykov Shchedrin - Bangla Translation

কোন এক দফতরের দুই আমলা হঠাৎ করে আটকে গেল এক দ্বীপে একে অপরকে দূষতে লাগল দুর্ভাগ্যের জন্য সত্যিকারের দোষটা কার তা বলা মুশকীল

তারা দুজন একই দফতরে কাজ করেছে বহুদিন বলা উচিৎ শুরু থেকেই তাদের কাজে হাতেখড়ি এখানে, শেষ অবধি এখানেই কাজ করে গেছে সম্প্রতি তাদের করার মত কোন কাজ খুঁজে না পেয়ে দফতরটি তুলে দেয়ায় সিদ্ধান্ত নিল কর্তৃপক্ষ অবসর গ্রহণের পর দু'জনই বাসা নিল শহরের এক আবাসিক এলাকায় গন্ডিবদ্ধ দেয়ালের মধ্যে গদবাধা কাজের মতই সীমাবদ্ধ তাদের বুদ্ধি স্বভাবতই তাদের সময় কাটতে লাগল নিজের রাঁধুনীর রান্না খেয়ে আর গল্প-গুজব করে অবশ্য একঘেয়ে জীবনে তারা অভ্যস্ত তবুও তাদের এক পুরনো ব্যবসায়ী বন্ধু হাওয়া বদলে নিয়ে গেল দুজনই প্রথমে প্রবলভাবে আপত্তি করেছিল  

-কি দরকার হাওয়া বদল করে, এখানকার হাওয়া খারাপ কিসে?

-হ্যাঁ, হ্যা ঠিকই বলেছেন তাছাড়া ঝামেলা, কোথায় না কোথায় থাকতে হবে প্রথম আমলার সুরে সুর মিলিয়ে বলে দ্বিতীয়জন

ব্যবসায়ী বোঝাবার চেষ্টা করে তাদের, -না না অনেক উপকার করেছেন একসময় কিছুটা হলেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার সুযোগ দেয়া উচিৎ আমায়

আমলা দু'জনের চোখ চকচক করে ওঠে উপকারের বদলে তারা কি পেয়েছে সে কথা আর না তুলে মাথা দোলাতে লাগল বিনা পয়সায় যা পাওয়া যায় তাই লাভ ব্যবসায়ীও খুশি, মরা হাতি লাখ টাকা না হোক কিছুতো বটে

অচিরেই দুই আমলাকে দেখা গেল সমুদ্রের ধারে হাওয়া খেতে কিন্তু কপাল মন্দ। হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে গেল রাতে জলচ্ছাসে ভেসে গেল দুজনেই।

জ্ঞান ফিরে দু'জন দু'জনের দিকে চেয়ে থাকল কিছুক্ষণ যেনো কিছুই হয় নি, শুয়ে আছে রেষ্ট হাউসের বিছানায় একটু পরেই টনক নড়ল কোথায় তারা মুহূর্তে ঝটকা মেরে উঠল দুজনেই মনে পড়ল সব হাউমাউ করে কেঁদে উঠল দুজন ঠিক কি করা উচিৎ বুঝতে পারছে না তারা চা খেয়ে একটু মাথা ঠাণ্ডা করে নিলে হয় ভাবল তারা কিন্তু তারপরই মনে পড়ে গেল কী দুর্ভাগ্য ঘটেছে তাদের কপালে এই কথা মনে করে আরেক চোট কাদল দুজন কাঁদতে কাঁদতে ভাবল দুজন এমন ঘটার কারণ নির্ণয়ের জন্য একটা তদন্ত কমিটি গঠন করা উচিৎ তবে এহেন কমিটির ভবিষ্যৎ জানা থাকার কারণে বা অন্য কোন চিন্তার পরিকল্পানাটা তারা বাদ দিল।।  

নির্জন দ্বীপটার সামনে শুধুই পানি, আর পিছন দিকটা জঙ্গল জঙ্গল দেখে আরেক দফা আঁতকে উঠল দুজন লোকজনও দেখা যাচ্ছে না কোথাও ঠিক করল একজন দক্ষিণ দিক বরাবর আরেকজন উত্তর দিকে গিয়ে দেখবে কিছু পাওয়া যায় কিনা কিন্তু মুশকাল হল কোনটা উত্তর আর কোনটা দক্ষিণ কিছুতেই বের করতে পারল না সারা জীবন দফতরের চার দেয়ালের মাঝে কাটিয়ে উত্তর পূর্ব জ্ঞান হয় নি তাদের

একজন চেচিয়ে উঠল, পেয়েছি, বইতে পড়েছিলাম পূর্বদিকে মুখ করে দাড়ালে ডানদিক হবে দক্ষিণ আর বামদিকে উত্তর কিন্তু সে গুড়ে বালি, আকাশ মেঘে ঢাকা কি আর করা, সিদ্ধান্ত নিল একজন ডানদিকে আর অন্যজন বামদিকে যাবে সমুদ্রের ধার ঘেঁষে রওনা হয়ে গেল দুজন কিছুক্ষণ পর দুজন ক্লান্ত দেহ নিয়ে ফিরে এল আগের জায়গায় হতাশ সুরে একজন বয়ান শুরু করল, নাহ এমন আবার জায়গা হয় নাকি, ঘরবাড়ি ছাড়া এমন বিশাল জায়গা পড়ে থাকে, জীবনে দেখি নি

-ছি ছি জায়গার কি অপচয়, আরেক আমলা সুর মেলায়।।

-আর দেখেন না কেমন হতচ্ছাড়া জায়গা, লোকজন তো নেই, আবার কোনও খাবারের চিহ্ন পর্যন্ত নেই

-ঠিক বলেছেন, মুরগি দেখি উড়ে বেড়াচ্ছে তাদের তো কাবাব হয়ে ঝুলে থাকার কথা, নিদেনপক্ষে খাঁচার মধ্যে থাকতে পারে

-হ্যা, এখানকার ব্যবস্থা সব কেমন যেনো এক সারি গাছ দেখলাম, সবচেয়ে নিচুটা তিন মানুষ সমান হবে সেটা দেখেই বুঝলাম ডাবের গাছ কিন্তু কি বিতিকিচ্ছিরি নিয়ম দেখেন, অত উঁচু থেকে পেড়ে তাই খেতে হবে

মাছও দেখলাম প্রচুর, অথচ ধরা ছোঁয়ার বাইরে পানিতে ভেসে বেড়ালে খাওয়ার কোন উপায় থাকে না

-যা বলেছেন, মাছ থাকবে আমাদের রাধুনীর ছুরির তলায়, খুব জোর মেছো বাজারের ডালার ওপর

-যাচেছতাই, তাই না, অথচ দেখেন আমরা হাত বাড়াতেই পেয়ে গেছি সব।  

-তাহলে দেখা যাচেছ এই আদিম জায়গায় সভ্য জগতের বলতে আমরা দুজনই।।

-আরেকটি বস্তু আছে, কুড়িয়ে পেলাম বলে হাত উঁচু করে একজন একটা খবরের কাগজের ছেড়া পাতা দেখাল

দু'জনে আবার শুয়ে পড়ল কিন্তু ক্ষিদে পেটে ঘুম এল না মোটেই চোখের উপর ভাসতে লাগল মুরগির রোষ্ট, মাছের কোপ্তা, আপেল, এই সৰ উঠে বসল দুজন আবার একজন বলল, এত ক্ষিধে পেয়েছে মনে হচ্ছে নিজের বুট জুতো জোড়াই খেয়ে ফেলি

-হাতের দস্তানা জোড়াও মনে হয় হজম হয়ে যেত

হঠাৎ দুজন থমকে তাকাল পরস্পরে দিকে চোখে তাদের হিংস্র ঝিলিক দাঁত কিড়মিড় করে ঝাপিয়ে পড়ল একজন আরেকজনের ওপর খামচে ধরল একে অপরকে সে এক রক্তারক্তি কাণ্ড হঠাৎ আবার দুজনের হুস হল

-এরকম করে তো আমরা একজন আরেকজনকে খেয়ে ফেলব

-ঠিকই বলেছেন, তার চেয়ে আসুন গল্প গুজব করে সময়টা পার করে দেই

-হা, হ্যা তাই ভাল তা করুন, কি গল্প করবেন

-আচ্ছা আমরা প্রথমে অফিসে যাই, ফিরে এসে বিশ্রাম নেই কিন্তু উল্টোটা হয় না কেন, প্রথমে বিশ্রাম করতাম, তারপর অফিস যেতাম

-কিন্তু আমিতো সব সময় নাস্তাটাই আগে খাই দুপুরের খাওয়া পরে

খাওয়ার কথায় দুজনেরই পেট মোচড় দিয়ে উঠল গল্প জমল না বলে তারা কুড়িয়ে পাওয়া পত্রিকাটা নিয়ে পড়ল একজন পড়া শুরু করলো....

মাননীয় সংসদ দুপুর নাগাদ এতিমখানা উদ্বোধন করার জন্য এখানে পৌছান এলাকার আপামর জনতা তাদের প্রিয় নেতাকে দেখার জন্য সকাল থেকে অপেক্ষা করেছিল তিনি মধ্যাহ্নভোজ করে এখানকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে তাকে পরিবেশন করান হয় অঞ্চলের বিখ্যাত মিষ্টান্ন আর মাছ তিনি খেয়ে এগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন আবার খাওয়ার কথা এসে যাওয়ায় খবরর্টি তারা বাদ দিল পৃষ্ঠা উল্টিয়ে আরেকটি খবর পড়া শুরু করল, গতকাল মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় শহরের এক নামী হোটেলে দারিদ্রতা বিমোচন আমাদের করণীয় শীর্ষক এক সেমিনারে উদ্বোধনকালে বলেন, আমাদের অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হবে, দরিদ্র মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে হবে

সেমিনার শেষ হয় নৈশভোজের মাধ্যমে টেবিলে মাননীয় মন্ত্রী অন্যান্য অতিথীদের সাথে রসিকতা করে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত করে তোলেন সবাই এক বাক্যে স্বীকার করেন তিনি শুধু রসিকই নন ভোজন রসিকও বটে কারণ টেবিলে পরিবেশন করা বাগদাদী শামী কাবাব থেকে লবষ্টার রিমোনেসসহ প্রায় সবকটি পদই তিনি খেয়ে দেখেনআবার ঘুরেফিরে খাওয়া দাওয়ায় এসে যাচ্ছে দেখে দুজনেরই মন খারপ হয়ে গেল

-নাহ একটা কিছু করা দরকার, দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলল একজন

-ঠিক বলেছেন, একটা চাষীকে খুঁজে বের করা দরকার চাষী! তা দিয়ে কী হবে?

-আরে সে ব্যাটাই পারবে এই বিশাল খাদ্য ভাণ্ডারটাকে আমাদের নাগালের মধ্যে এনে দিতে

-তা না হয় বুঝলাম, কিন্তু তাকে পাচ্ছেন কোথায়?

-খুঁজলেই পাওয়া যাবে, এই মাটির সাথেই মিশে থাকে ব্যাটারা।।

-যা বলেছেন, খুঁজলেই পাওয়া যাবে, নিশ্চয় কাজে ফাঁকি দিয়ে ঘুমুচ্ছে কোথাও

এরপর দুজন মিলে চাষী খুঁজতে বের হল ক্ষিধের তাড়নায় হোক আর যে কারণেই হোক জঙ্গলটা এখন আর অত গহিন মনে হল না দুজনই রওনা হল জঙ্গলের দিকে অভ্যাশবশত দুজনই কোটের পকেট থেকে পাইপ বের করে ঠোটে ঝুলিয়ে নিল যদিও তাতে আগুন বা তামাক কোনটাই ছিল না জঙ্গল পার হয়ে ওপাশে আবার ফাঁকা জায়গা আরও খানিকটা গিয়ে হঠাৎ দেখে একটা চাষা

চাষাই হবে, তা না হলে পেশীবহুল চিমসানো দেহ, ছেড়া ফাড়া জামা কাপড় আর কার চাষাটাও জলচ্ছাসে ভেসে এসে উঠেছে এই দ্বীপে যাক তবুও কারও দেখা পাওয়া গেল নিশ্চয় এ ব্যাটা এখানকার নাড়ি নক্ষত্র সব জানে দুজনে খুশির চোটে কি করবে বুঝতে পারছিল না

-মোলায়েম সুরে কথা বলে, মাথায় হাত বুলিয়ে কাজকামগুলো করিয়ে নিতে হবে

জড়সড় হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল চাষীটা আমলা দুজন কোমল সুরেই ডাকতে চেয়েছিল, কিন্তু দীর্ঘদিনের হুকুম দেয়া গলায় ডাকটা একটু গম্ভীর শোনাল চাষী ভয়ে কাঁপতে কাপতে হাত জোড় করে সামনে এসে দাড়াল এভাবে ভয়ে কাপতে দেখে দুজন একে অন্যের দিকে তাকাল সাথে সাথে দুজনের চেহারা পাল্টে গেল হুকুমের সুরে বলল, ব্যাটা আলসের ধাড়ি, কাজ না করে বাসে আছিস, দুজন ভদ্রলোক না খেয়ে আছে তার খবর রাখিস।।

আরেকজন চড়া গলায় বলে, যা যা কাজে লেগে পড়

চাষী সাথে সাথে দুজনের সেবায় লেগে গেল ঝটপট গাছে উঠে ডাব পাড়ল, আম পেড়ে খেতে দিল তারপর গেল মাছ ধরতে তার হাতের জাদুতে জব্বর খাওয়া হল দুজনের খাওয়া হলে অবশিষ্ট দিয়ে পেট ভরাল চাষী তারপর হাত জোড় করে বলল, এবার তাহলে একটু জিরিয়ে নেই স্যার

তার আগে একটু দড়ি পাকিয়ে দে বলল একজন চাষী লতাপাতা যোগাড় করে দড়ি পাকিয়ে দিল ভেগে গেলে আবার কোন বিপদে পড়তে হয় তার ঠিক আছে আয়েশ করে বসে দুজন গল্প জমায়, আচ্ছা পীর বা পীরের দরগা সম্বন্ধে আপনার কী মতামত?

-আপনারা যাই বলেন আমি কিন্তু উপকার পেয়েছি কয়েকবার

-তবে কেউ কেউ নানা রকম কথা বলে

তারা দু'জন অসৎ থাকতে পারে কিন্তু উপকারের কথাটা আপনার ভুলে গেলে চলবে না

এমনি করে একে একে দিন যায় চাষী জীবন দিয়ে সেবা করে যায় তার স্যারদের আরাম আয়েশে দিন কাটতে থাকে আমলা দুজনের, শরীর ভারি হয় কিন্তু এক সময় মন খারাপ হতে থাকে মন খারাপ হয় শহরের জন্য, নিজের কেন্যাদুরস্ত পোষাকগুলোর জন্য

-যাই বলেন, পুরুষ মানুষ কি একা দিন কাটাতে পারে

-ঠিক বলেছেন, তাছাড়া কতদিন আফটার শেল লোশনের গন্ধ পাই না

চাষীকেই ধরে, ৱেখে আয় ব্যাটা আমাদের, এখানে আর মন টেকে না হা রেখে আয় আমাদের শহরের বাড়িতে আশ্চর্য হয়ে দেখল তারা চাষীটা তাদের শহরের বাড়ি চেনে

-চিনব না কেন স্যার! দেখেন নি আমাকে চাষের কাজ না থাকলে আমিতো ওদিকটায় যাই কাজের খোজে চুনকামের কাজ করি, ফুলের বাগান পরিস্কার করি।  

-তাহলে তো ভালই হল ঠিকঠাক মতই রেখে আসতে পারবি আমাদের

চাষীও হাঁপ ছেড়ে বাঁচে তার সাথে আসা ডিঙ্গিটাকেই সারিয়ে তোলে তারপর খড় বিছিয়ে আরামে বসার ব্যবস্থা করে পথে ঝড়ঝাপটায় পড়ে দু'জনই ভয়ে কাঁপতে থাকে দোষ দেয় চাষীকেই এমনি করে এক সময় পৌছে যায় শহরের বাড়িতে তাদের বহাল তবিয়তে ফিরতে দেখে সবাই অবাক হয় আরাম করে কফি খায় দু'জন তারপর ছোটে ব্যাংকে, কত জমা পড়ল তা লেখার জন্য খুশিতে গদগদ হয়ে ফিরে এল বাড়িতে অবশ্য চাষীকেও খুশি করে দিল একজন দিল পুরনো একটা কোট আরকেজন বাতিল একটা প্যান্ট উপরে দশটি করে টাকা দিল গ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য। 

ইংরেজিতে মূল গল্পটি পড়ুনঃ HOW A MUZHIK FED TWO OFFICIALS  

No comments:

Post a Comment

Featured Post

মজার গল্প - টেরোড্যাকটিলের ডিম – সত্যজিৎ রায় – Mojar golpo – Pterodactyl er dim - Satyajit Ray

মজার গল্প - টেরোড্যাকটিলের ডিম – সত্যজিৎ রায় – Mojar golpo – Pterodactyl er dim - Satyajit Ray মজার গল্প - টেরোড্যাকটিলের ডিম  – সত্যজিৎ রা...