মজার গল্প, উপন্যাস, গোয়েন্দা কাহিনী, ছোট গল্প, শিক্ষামূলক ঘটনা, মজার মজার কৌতুক, অনুবাদ গল্প, বই রিভিউ, বই ডাউনলোড, দুঃসাহসিক অভিযান, অতিপ্রাকৃত ঘটনা, রুপকথা, মিনি গল্প, রহস্য গল্প, লোমহর্ষক গল্প, লোককাহিনী, উপকথা, স্মৃতিকথা, রম্য গল্প, জীবনের গল্প, শিকারের গল্প, ঐতিহাসিক গল্প, অনুপ্রেরণামূলক গল্প, কাহিনী সংক্ষেপ।

Total Pageviews

Sunday, May 16, 2021

ছোট গল্প - চালতা গাছের মাঁচা - সত্যেন সেন – Choto golpo - Chalta gacher machan - Satyen Sen

ছোট গল্প,চালতা গাছের মাঁচা,সত্যেন সেন,Choto golpo,Chalta gacher machan,Satyen Sen

ছোট গল্প - চালতা গাছের মাঁচা - সত্যেন সেন – Choto golpo - Chalta gacher machan - Satyen Sen


মানুষ থাকে মাটির উপর ঘরে কি দালানে। আর পাখিরা থাকে গাছের উপর এইটাই নিয়ম। শুধু এখন বলে নয়চিরকালই এই নিয়ম চলে আসছে। তবু মানুষের বাচ্চা হয়েও ওরা দুভাই গাছের আগায় বাসা বাধল যে দেখে সে-ই হাসে। এমন কাণ্ড কেউ কোন দিন দেখেছে। 

দু'টি ভাইবল্টু আর পল্টু ওদের নিত্য নতুন খেলা। এসব খেলার নামও কোন দিন কেউ শোনে নি। কে-যে ওদের মাথায় এসব বুদ্ধি যোগায় কে জানেখুঁজে খুঁজে শেষে দক্ষিণ দিকের চালতা গাছটাকে ওরা বাছাই করল এই গাছের মাথায় মাচা বাঁধতে হবে। যেমন কথা তেমনি কাজ। সঙ্গে সঙ্গেই কাজ শুরু হয়ে গেল। গাছের একেবারে মাথার দিকে তিনটে ডাল পাশাপাশি চলে গেছে। তার উপর বাশ বেধে ওরা দেখতে দেখতে এক দিব্যি মজবুত মাচা বানিয়ে ফেলল

সেই থেকে কী-যে হয়েছেদিনের অনেকটা সময় ওরা মাচাতেই কাটায়। লেখাপড়া চুলোয় গেছেসারা দিন গাছের উপর কাঠ-ঠোকরার মত খালি খুটুর-খাটুর চলছেই। কত যে কাজকাজ আর শেষ হয় না। এখানে কমায়ওখানে বাড়ায়এখানে কাটেওখানে জোড়া দেয়কাজ লেগেই আছে। বাঁশের মাচার উপর পুরু করে খড়ের গদি বানাল একেবারে রাজশয্যা। দুজনে আরাম করে বসা যায়আবার গুটিশুটি হয়ে শোয়াও যায়।

ওদের খেলার সাথীরা খবর পেয়ে দেখতে এল মাচা দেখে তারা তারিফ করে বললবাঃবেশ একখানা বাড়ি হয়েছে তো বল্টু আর পল্টু আনন্দে ডগমগ হয়ে উঠল। হবে না-যে তাদের নিজেদের হাতে তৈরি বাসা।

ছেলেরা বললকিন্তু তোরা খেলতে আসিস না কেন?

বল উত্তর দিলখেলব কি রেআমাদের এখন কত কাজ। পল্টু বললতোরা নিজেরাই খেলগে যাআমাদের কত কাজনা রে দাদা?

কিন্তু শুধু খেলাধুলোই নয়পড়াশুনোও তাকে উঠল। মা কেবল রাগারাগি করেলেখা নেইপড়া নেইসারা দিন শুধু গাছের উপরে এসব কিমায়ের ঘ্যানঘ্যানানিতে উত্যক্ত হয়ে ওরা ওদের বইপত্র বগলদাবা করে নিয়ে মাচার উপর উঠে বসতআর বলতনীচে বড় গোলমালওখানে নিরিবিলিতে পড়া নাকি খুব ভাল হয় মা নীচের থেকে ডাকাডাকি করলে ওরা জবাব দিতমাগোলমাল করছ কেনআমরা পড়ছি যে।

মা ভাল মানুষনীচ থেকে খুব পড়ার শব্দ শুনে ভাবতথাকপড়ছে পড়ুক। ঘরে থাকলে তো একটুও পড়তে চায় না। কিন্তু পড়াশোনা-যে কেমন এগোচেছ একমাত্র চালতা গাছটাই তা বলতে পারত।

বড় বোন হাসিতার ইচ্ছা সেও একবার উপরে উঠে দেখে আসে ওদের বাসাটা। এখন তো অনেকেই দেখতে যায়। কিন্তু মেয়েমানুষ কেমন করে গাছ বেয়ে উঠবেহাসি ডেকে বললকি রেতোরা সারা দিন উপরে এত কি করিসতোরা কি পাখি হয়ে গেলি?

ওরা বললহ্যাআমরা পাখিই তো

তবে ওই উপরেই থাক। আর বাড়ি-ঘরে ঢুকতে পারবি না। ওই খানেই খাবি-দাবিওই খানেই ঘুমাবি।।

ওরা বললদাঁড়াও নামাচাটাকে আরও বড় করে নিই। ক্রমে ক্রমে সবই হবে। তোমরা তোমাদের ওই মাটিতেই পড়ে থাকবে। আর আমরা থাকব তোমাদের সবার মাথার উপরে।

সত্যিক্রমে ক্রমে অনেক কিছুই হতে লাগল জোড়াতালি দেওয়ার ফলে মাচাটার আকার অনেকটা বেড়ে গেল। ওদের মাথায় নতুন নতুন ফন্দি খেলতে লাগল

এক দিন দেখা গেল ঝুড়ি ঝুড়ি মাটি গাছের উপর উঠছে এত বড় গাছ বেয়ে মাটি তোলা বড় সহজ কথা নয়। খাটতে খাটতে ওরা দুভাই একেবারে গলদঘর্ম হয়ে উঠল।

নীচে হাসি অবাক হয়ে হা করে এদের কাজ দেখছিল। সে জিজ্ঞেস করলমাটি তুলে কি করবি রে তোরা?

ওরা বললঘর-বাড়ি তুলব

-ঘর-বাড়ি তুলবি কি রেগাছের উপর কেউ ঘর-বাড়ি তোলে নাকি?

বল্টু পল্টুর তখন বাড়তি কথা বলার সময় নেই। তারা ভীষণ ব্যস্ত।

হাসি ঘরে ফিরে ফলাও করে এই গল্প করল পাড়াশুদ্ধ এই খবর ছড়িয়ে পড়ল যেলখার বাড়ির বল্টু আর পল্টু গাছের উপর ঘর-বাড়ি তুলছে। ওরা দুভাই নাকি সেখানেই বসবাস করবে

শুনে সবাই হাসল কিন্তু বল্টু পল্টুর মা হাসতে পারল না ওরা যেন দিন দিন বাড়ি-ঘরের সম্পর্ক ছেড়েই দিচ্ছে নেহাৎ যেটুকু সময় থাকলে নয়সেইটুকু সময়েই ঘরে থাকে। একটু ফুরসত পেল আর কথা নেইঅমনি গাছের মাথায়। তা ছাড়া অত উঁচু গাছপড়ে গেলে আর কি উপায় আছেমা অনেক চেষ্টা করল কিন্তু এই পাগলদের ঠেকানো তার অসাধ্য। কথা বললে কি কথা শোনে?

হাসি বললওদের ভয় না দেখলে চলবে না।

রাত্রিবেলা খাওয়ার সময় খেতে খেতে সে ওদের বললতোরা-যে সব সময় চালতা গাছের উপর বসে থাকিস ভয় হয় না তোদের?

-ভয়?

-কেনভয় কিসের?

-ভয়কিসেরতাও জানিস নাচালতা গাছের কাছেই তো ওই গাব গাছটা।

-হ্যাআছেই তো গাব গাছটাতাতে কি হয়েছে?

-কি হয়েছেএই গাছে-যে একটা ভূত থাকেএ কথা তো সবাই জানে।। জানিস নারাতের বেলা গাব গাছের উপর একটা পা আর তোদের চালতা গাছটার উপর একটা পা দিয়ে দাড়িয়ে থাকে!

পল্টু গল্প শুনে ঝুঁকে পড়লকেন আপুঅমন করে দাড়িয়ে থাকে কেনো? ওর কষ্ট হয় নাআমি বাড়ি থেকে অঙ্ক করে নিয়ে যাইনি বলে এক দিন অঙ্কের স্যার আমাদের অমনি করে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। বাপরে বাপসে কি টনটনানিপা দুটো যেন ছিড়ে যেতে চায়।।

হাসি বললহ্যাভূতের আবার কষ্টওরা তো অমনি করে দাড়িয়ে থাকতেই ভালবাসে।।

বল্টু পল্টুর চেয়ে দুবছরের বড়। সে ভূতের গল্পকে আমল না দিয়ে বললআমাদের হেডমাস্টার বলেছেনভুত বলে কোন কিছু নেই। এ সবই ফাকি

-হ্যাতোমাদের হেডমাস্টার তো সব কথাই জানেপড়ত এক দিন আসল ভূতের পাল্লায় তবে বেরিয়ে যেত মজাটা। ও বাড়ির ছিদাম কাকা নিজের চোখে দেখেছেঘুটঘুট্টি অন্ধকারেএকটা ঠ্যাং গাব গাছআর একটা ঠ্যাং চালতা গাছের উপরে রেখে দাঁড়িয়ে আছে বিরাট একটা---

বল্টু হয়তো ভবিষ্যৎকালে ভাল উকিল হতে পারবে সে ফস করে জেরা করে বললঅমন ঘুটঘুট্টি অন্ধকারে দেখতে পেল কি করে?

হাসি একটু থেমে গিয়ে ঢোক গিললপরক্ষণেই বলে উঠলেবাঃ দেখতে পারবে না। হাতে টর্চ ছিল যে। টর্চটা জ্বালাতেই দেখে ওরে বাবাসে কি মুর্তি!

পল্টু বললকিন্তু ও আমাদের কি করবে আমি-যে মানী আপার কাছ থেকে মক্তরটা শিখে ফেলেছি। যেই না দেখবঅমনি মন্তরটা ছাড়ব,

ভূত আমার পুত, পেত্নী আমার ঝি।

এমন প্যাদানি দিব তোদের, করবি তোরা কী?

এই মন্তর পড়লে আর কি ভূত থাকতে পারেমানী আপাকে জিজ্ঞেস করে দেখো

হাসি বললও সব তন্ত্র মন্ত্র আগেরকার দিনে চলত। আজকালকার দিনে ভূতেরা ওসব মন্তর-টন্তর মানে না। আর তোরা ওর পা রাখবার জায়গাটায় ঘর বানাবিও চটবে না?

বল্টু তার কথা উড়িয়ে দিলহুতোমার যত বাজে কথা। ও সব ভূত টুত আগেরকার দিনে মানত। আজকালকার লোকে মানে না। হেডমাস্টার বলেন----

ধেত্তেরি তোর হেডমাস্টার অমাবস্যা রাত্রিতে নিয়ে আসি ধরে তাকে ওই গাব গাছের তলায় বেরিয়ে যাবে হেডমাস্টারী

বল্টু-পল্টুকে কিন্তু ভূতের ভয় দেখিয়ে থামিয়ে রাখা গেল না। দিদির কথাটা মনে করে প্রথম প্রথম দু-একদিন গা একটু ছমছম করেছিল। কিন্তু পরে তা কেটে গেল। তারা আবার নিশ্চিত মনে তাদের নতুন ঘর-সংসার করে চলল।

ঘর-সংসার করে চলল বটেঘর কিন্তু আর তৈরি করা হোল না। কেমন করে হবেমাটি তুলে মাচার উপর ঘরের ভিত গাঁথবার কিছু দিন বাদেই ওরা অবাক হয়ে দেখলকি আশ্চর্যমাটি খুঁড়ে অনেক ঘাসের অঙ্কুর উঠেছে। দেখ দেখি কাণ্ড এখানে আবার ঘাস উঠল কেমন করেএ নিয়ে দুভাই অনেক গবেষণা করল। শেষ পর্যন্ত ব্যাপারটা বোঝা গেল। ঘাসের মত দেখতে হলে কি হবেওগুলো কিন্তু ঘাস নয়। এগুলো সব ধান গাছের চারা। মাচার উপর ওরা সেই-যে খড় পেতেছিলতার সঙ্গে-যে কিছু কিছু ধান ছিলোসে খবর তো ওরা রাখত না মাটি পেয়ে ধানের চারা মাথা তুলে উঠেছে। একটা চারা টেনে তুলতেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হয়ে গেল

সঙ্গে সঙ্গে পুরানো প্ল্যানটা বাতিল হয়ে গেল ঘর নয়এবার ক্ষেত বানাতে হবে। চারাগুলো দেখতে দেখতে বড় হয়ে উঠল। বল্টুর-পল্টুর আনন্দ আর ধরে না। এরা বললআমরা এবার গাছের উপরেই চাষ-বাস করব। শুধু কথার কথাই নয়ধানক্ষেতের একপাশে ওরা শসার বীজ পুতল কি মজাধান গাছের মত শসা গাছও এক দিন মাথা জাগিয়ে উঠল প্রথম দুটো-তিনটে পাতা ছাড়লতারপর আর সমস্ত শসা গাছের মত সেটিও লতা হয়ে বেয়ে বেয়ে উঠতে লাগল।

এবার ওদের সামাল দিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াল। ধানক্ষেত আর শসা গাছ নিয়ে তারা লাফালাফিচেঁচামেচিমাতামাতি করতে লাগল কিন্তু মামানাআপু আর হাসি আপু কেউ এ কথা বিশ্বাস করতে চায় না। তারা বললযত সব বাজে কথাচালতা গাছের উপরে ধানক্ষেত আর শসাতে এমন কথা কেউ কোন দিন শুনেছেএমনই মুশকিল ওদের নিয়ে দেখবারও উপায় নেই। ওরা তো কেউ গাছে উঠতে পারে না।

অবশেষে পাড়ার দুজন ছোকরা গাছে উঠে স্বচক্ষে দেখে এসে সাক্ষ্য দিলনা, কথা ঠিকই। সুন্দর ধান গাছ হয়েছে। আর শসা গাছটায় কুঁড়িও দেখা দিয়েছে একটা। আর ওরা বললপৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের এক আশ্চর্য ব্যাবিলনের শূন্য উদ্যানের কথা শুনেছিআর এই দেখলাম বল্টু-পল্টুর শূন্য উদ্যান। এরপর মা বোনেরা বিশ্বাস না করে পারল না।

খবরটা এবার সারা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ল। স্কুলের ছেলেরা দল বেঁধে দেখতে আসতে লাগল বল্টু-পল্টুকে আর পায় কেমুখের চোটে মামানী আপু আর হাসি আপুকে ওরা ঠাণ্ডা বানিয়ে ছাড়ল। ওরা বললএর পর ওরা একটা একটা করে সবগুলো গাছে এমনি করে ক্ষেত বানাবেআর নানা রকম ফসল তুলবে তাতে!

মা আঁতকে উঠে বললবলিস কিরে?

বল্টু বললহ্যাএকটা গাছও বাকি থাকবে না। এমনি করে গাছের মাথায় মাথায় আর একটা পৃথিবী তৈরি করে তুলব আমরা। নীচে থাকবে তোমাদের পৃথিবীআর তার উপরে আমাদের পৃথিবী।

বাড়ির মানী আপু এতক্ষণ কোন কথা বলে নি। কিন্তু এবার আর চুপ করে থাকতে পারল না। সে বলে উঠল,এমন কথা বোলো নাবলতে নেই। একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া আর কেউ পৃথিবী বানাতে পারে না।

বল্টু বললরেখে দাও তোমার সৃষ্টিকর্তা আমরা কম কিসেআমাদের হেডমাস্টার বলেন-----

মানীদি এমনিতে ঠাণ্ডা মানুষকিন্তু মাঝে মাঝে হঠাৎ চটে ওঠে। সে বললতোমাদের এই পোড়াকপালে হেডমাস্টারের কথা আর বোলো না। এসব কথা শুনলেও পাপ এর আগে কারুণও অহংকার করেছিল। একটা বেহেশত বানিয়েছিল। সৃষ্টিকর্তা কারো অহংকার সহ্য করেন না। তাকেও ধ্বংস করে দিয়েছিলেন।

কি আশ্চর্য সেই রাত্রিতেই ভীষণ ঝড় উঠল। এমন ঝড় শীগগির কেউ দেখেনি। ওরা দুভাই শুয়ে শুয়ে ওদের মাচাটার কথাই ভাবছিল পরদিন ভোর হতে না হতেই এক ছুটে চালতে গাছের তলায় গেল গিয়ে দেখে হায় হয়কোথায় গেল মাচাএকটা বাঁশ শুধু ঝুলছেআর কোন চিহ্ন নেই তার। অনেক খুঁজে কয়েকটা ধানের চারার খোঁজ পাওয়া গেল কিন্তু শসা গাছটা কোথায়-যে গেছেঅনেক খুঁজেও তার পাত্তা পাওয়া গেল না।

ওরা দুভাই চালতা গাছের তলায় গালে হাত দিয়ে বসে পড়ল। ওরা নতুন পৃথিবী গড়তে চলেছিলকিন্তু এখন আর কোনই উৎসাহ পাচ্ছে না। এমন সর্বনাশ কে করল?

বল্টু-পল্টু ভাঙ্গা মাচার ধ্বংসাবশেষ বাঁশটার দিকে তাকিয়ে চুপ করে বসে রইল

- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -

১৮) আর মানুষের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে কথা বলো না, পৃথিবীর বুকে চলো না উদ্ধত ভঙ্গিতেআল্লাহ পছন্দ করেন না আত্মম্ভরী ও অহংকারীকে ১৯) নিজের চলনে ভারসাম্য আনো এবং নিজের আওয়াজ নীচু করো৷ সব আওয়াজের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে গাধার আওয়াজ। (সুরা লুক্বমান)

No comments:

Post a Comment

Featured Post

সুইসাইড – থ্রিলার গল্প - রবিন জামান খান – Suiside - Thiller story Bangla

  Thiller story Bangla,থ্রিলার গল্প, সুইসাইড সুইসাইড – থ্রিলার গল্প - রবিন জামান খান – Suiside - Thiller story Bangla দৌড়াতে দৌড়াতে মি...